• isphani-tea
  • Awards-banner
  • Awards-banner

বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ইস্পাহানি।একইসঙ্গে উপমহাদেশের সবচেয়ে পুরনো প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি হলো ইস্পাহানি। ১৮২০ সালে, হাজী মোহাম্মদ হাশেম পারস্যের ইস্পাহান থেকে বোম্বাইয়ে এসে প্রতিষ্ঠা করেন এমন একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, যা পরবর্তীকালে হয়ে উঠে উপমহাদেশের সবচেয়ে অভিজাত প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যতম।

ইস্পাহানি পরিবার দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্প ও উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান। চা ব্যবসায়ের জন্যে বেশি পরিচিত হলেও ইস্পাহানি গ্রুপ আরো নানান ব্যবসায়ে সফলতা অর্জন করেছে। ইস্পাহানি পরিবারে স্কুল-কলেজসহ টেক্সটাইল, কৃষিপণ্য, শিপিং, পাটকল, চা-বাগান, খাদ্য সামগ্রী, চক্ষু হাসপাতাল, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার ইত্যাদি শিল্প, বাণিজ্যিক ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেখানে এক বিশাল সংখ্যক লোকবল কর্মরত রয়েছে।

৫০০০ হাজার বছরেরও আগে চীনে প্রথম চায়ের ব্যবহার শুরু হয়। সুস্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক পানীয় হিসেবে দীর্ঘদিন ধরেই চা সমাদৃত হয়ে আসছে। পানির পর চা-ই সারাবিশ্বে ব্যাপকভাবে পান করা পানীয়।ইস্পাহানি বাংলাদেশের একক বৃহত্তম চা কোম্পানি। বাংলাদেশে চা ব্যবসায়ের পথিকৃৎ হিসেবে আমরা এ দেশের বাজারে প্রথম লেমিনেটেড পাউচ, ডাবল চেম্বার টি ব্যাগ, স্ট্যান্ড আপ পাউচ, ফুড গ্রেড জার, তিন স্তর বিশিষ্ট পাউচ, ১০ গ্রাম ইজি প্যাক এবং ব্যাগ ইন ব্যাগ প্যাকেট প্রবর্তন করেছি।

দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারের জন্যে আমাদের টি ডিপার্টমেন্ট বাছাইকৃত সেরা মানের চা নির্বাচন করে প্যাকেটজাত করে  যা তার মানের জন্যে বিশেষভাবে বিদিত এবং সর্বোচ্চ ভোক্তা পরিতুষ্টি অর্জন করে। মির্জাপুর বেস্ট লিফ, মির্জাপুর ডাবল চেম্বার টি ব্যাগ, ব্লেন্ডার’স চয়েস এবং জেরিন ব্র্যান্ডগুলো হচ্ছে মার্কেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং ঘরে ঘরে পরিচিত নাম। দেশব্যাপী আমাদের রয়েছে সেলস সেন্টার এবং বিভাগীয় অফিসের এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী বিতরণ ব্যবস্থা।

টি ব্লেন্ডিং এবং প্যাকেটজাতকরণ ফ্যাক্টরিতে আমরা অনুসরণ করি এক পরিচ্ছন্ন মিশ্রণ ব্যবস্থা যেখানে চা পরিচ্ছন্ন এবং মিশ্রিত হয় সম্পূর্ণ স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে। চা প্যাকেটজাতকরণ, ওজন নির্ণয় এবং মান নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করা হয় সর্বাধুনিক প্রযুক্তি যা নিশ্চিত করে প্রতিটি প্যাকেটে কাঙ্খিত মান। চায়ের মানের ক্ষেত্রে আমরা কোন রকম আপোস করি না। টি ব্যাগ প্রস্তুতে ব্যবহার করা হয় সর্বাধুনিক ইউরোপিয়ান মেশিন।

কর্পোরেট সোশ্যাল রেস্পন্সিবিলিটি (সি. এস. আর)  এর ক্ষেত্রেও ইস্পাহানি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা  পালন করছে। শুরু থেকেই তাঁরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহযোগিতা করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। বাংলাদেশে স্কুল এবং কলেজ স্থাপন করেছে, পাশাপাশি করেছে সুপরিচিত ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালও। ১৯৬০ সাল থেকে শুরু করে আজ অবধি ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল থেকে লাখো বাংলাদেশী সবচেয়ে কম খরচে তাদের চোখের উন্নতমানের চিকিৎসা পেয়ে আসছেন নিরন্তর। ইস্পাহানি গ্রুপ বিভিন্ন খেলাধুলা যেমন ক্রিকেট, ফুটবল, গলফ এবং টেনিস টুর্নামেন্ট এর পাশাপাশি জাতীয় ক্রিকেট লীগ আয়োজনে পৃষ্ঠপোষকতা করে যাচ্ছে। 

দক্ষিণ এশিয়ায় যুগ যুগ ধরে ব্যবসা বাণিজ্যের পর আজও, ইস্পাহানি গ্রুপ উচ্চ মানসম্পন্ন পণ্য ও সেবা প্রদানে এখনও নিবেদিত এবং সেই সাথে বিশাল জনগোষ্ঠীর কল্যাণে পরম ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।